ট্রাম্পের সম্ভাব্য প্রথম সফর
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম আন্তর্জাতিক সফরের জন্য সৌদি আরব বা যুক্তরাজ্যের কথা ভাবছেন। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শনিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ তথ্য জানান।
ট্রাম্প বলেন, “এটা সৌদি আরবও হতে পারে, আবার যুক্তরাজ্যও হতে পারে। সাধারণত প্রথমে যুক্তরাজ্যেই যাওয়া হয়, তবে শেষবার আমি সৌদি আরব গিয়েছিলাম কারণ তারা ৪৫০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন,
“আমার সৌদি আরব সফরের সময় বিশাল পণ্যের চুক্তি হয়েছিল, যা সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছিল। যদি তারা নতুন কোনো বড় আমদানির প্রস্তাব দেয়, আমি আবারও সেখানে যেতে পারি।”
এইসময় ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন।
সৌদি আরব সফরের প্রেক্ষাপট
২০১৭ সালে ট্রাম্প তার প্রথম প্রেসিডেন্ট মেয়াদে সৌদি আরব সফর করেছিলেন। এটি ছিল তার প্রশাসনের প্রথম আন্তর্জাতিক সফর, যা দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক এবং সামরিক সহযোগিতায় নতুন অধ্যায় যোগ করেছিল।

সৌদি আরব সেই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছিল এবং এই সফরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছিল। ট্রাম্পের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সৌদি আরবের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন বিনিয়োগের প্রত্যাশা
সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রে ৬০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি সৌদি নেতৃত্বকে এই বিনিয়োগ ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আহ্বান জানাবেন।