ইলন মাস্কের স্টারশিপ রকেট উৎক্ষেপণ দেখতে হাজির ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইলন মাস্কের সম্পর্ক গভীর হয়েছে। এই ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ আবারও মিলল যখন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সশরীরে হাজির হলেন ইলন মাস্কের মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্স-এর স্টারশিপ রকেটের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ দেখতে।
টেক্সাসের ব্রাউনসভিলের বোকা চিকা লঞ্চপ্যাড থেকে এই রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়। নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে রকেট উৎক্ষেপণ পর্যবেক্ষণ করেন ট্রাম্প। এ সময় ইলন মাস্কও তার সঙ্গে ছিলেন।
স্টারশিপ: ভবিষ্যতের মহাকাশযান
স্পেসএক্সের স্টারশিপ একটি পরবর্তী প্রজন্মের মহাকাশযান, যা মহাকাশে গিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। যদিও পূর্ববর্তী পরীক্ষাগুলোতে রকেটটি লঞ্চপ্যাডে সাফল্যের সঙ্গে ফিরে এসেছিল, এবার এটি মেক্সিকো উপসাগরে পড়ার পরিকল্পনা করা হয়। পরীক্ষামূলক এই রকেট উৎক্ষেপণ মহাকাশে প্রায় এক ঘণ্টা থাকার পর ভারত মহাসাগরে অবতরণ করেছে।
উৎক্ষেপণের প্রধান বৈশিষ্ট্য
স্পেসএক্স জানিয়েছে, এই উৎক্ষেপণে কোনো নভোচারী ছিল না। তবে রকেটে একটি কলা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। ইলন মাস্ক এবং তার সংস্থা এই স্টারশিপ নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছে। তাদের লক্ষ্য, এই রকেটের মাধ্যমে একদিন মঙ্গলগ্রহ এবং চাঁদে নভোচারী পাঠানো।
মহাকাশ অভিযানে ট্রাম্পের আগ্রহ
মহাকাশ গবেষণায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রহ এই ঘটনা থেকে আরও স্পষ্ট হয়েছে। নতুন প্রেসিডেন্টের উপস্থিতি স্পেসএক্সের মতো সংস্থাগুলোর প্রতি তার সমর্থনকে তুলে ধরে।
ভারত মহাসাগরে রকেটের অবতরণ
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, স্টারশিপ বুস্টারটি ধরার পরিকল্পনা বাদ দিয়ে সেটিকে মেক্সিকো উপসাগরে পড়তে দেওয়া হয়। রকেটটির মূল অংশ মহাকাশে এক ঘণ্টা কাটিয়ে ভারত মহাসাগরে পড়ে।
মঙ্গলগ্রহ ও চাঁদে অভিযান নিয়ে মাস্কের স্বপ্ন
ইলন মাস্কের পরিকল্পনা হলো স্টারশিপের মাধ্যমে ভবিষ্যতে মঙ্গলগ্রহ এবং চাঁদে মানুষ পাঠানো। স্পেসএক্স ইতোমধ্যে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
গুরুত্বপূর্ণ এই সংবাদটি অন্যদের জানাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।