দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে পরিচালন ব্যবস্থা ও গভর্ন্যান্সের ক্ষেত্রে সেরা স্বীকৃতি পেয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। স্থানীয় সরকার বিভাগের বাৎসরিক মূল্যায়নে ১৫টি নির্ধারিত সূচকের ভিত্তিতে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে চসিক প্রথম স্থান অর্জন করে।
এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী।
বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতায় “সিটি কর্পোরেশন পরিচালন ব্যবস্থা (গভর্ন্যান্স) উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২০-২০৩০” বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও মনিটরিংয়ের লক্ষ্যে গঠিত কৌশলপত্র স্টিয়ারিং কমিটির ৬ষ্ঠ সভা এবং সিটি কর্পোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি (C4C-2) প্রকল্পের জেসিসি-এর ২য় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সেখানে আয়োজিত আনুষ্ঠানিকতায় এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে।
মূল্যায়নের ভিত্তি:
২০২৪–২৫ অর্থবছরের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় যে ১৫টি সূচক নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল—
-
সংগঠন পরিচালনায় দক্ষতা
-
অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
-
সেবাপ্রদান ব্যবস্থার গতিশীলতা
-
নাগরিক সম্পৃক্ততা ও তথ্য উন্মুক্ততা
-
নগর পরিকল্পনা ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ
-
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা
-
রাজস্ব আহরণে উদ্ভাবনীতা ইত্যাদি।
এই সূচকের আলোকে ২য় সিটি গভর্ন্যান্স মূল্যায়নে চট্টগ্রাম শীর্ষস্থান অর্জন করেছে, যা সুশাসনের ধারাবাহিকতা এবং উন্নয়নের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
মেয়রের প্রতিক্রিয়া:
পুরস্কার গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন:
“এই অর্জন চট্টগ্রামবাসীর। নগরবাসীর আস্থা, চসিক কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা ও সমন্বিত টিমওয়ার্কের ফসল এটি। এই সফলতা আমি চট্টগ্রামের প্রতিটি নাগরিককে উৎসর্গ করছি। ইনশাল্লাহ, আমরা এই প্রেরণাকে শক্তি হিসেবে নিয়ে চট্টগ্রামকে ক্লিন, গ্রিন ও হেলদি সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”