জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে। বক্তৃতার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করায় একদল যুবক তাকে মারধর করে।
সমাবেশে ফারুক হাসান তার বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করেন এবং বলেন, “শেখ হাসিনার সংবিধান ছুড়ে দিয়ে আমরা বিপ্লবী সরকার করেছি।” তার বক্তব্যে কিছু যুবক ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা চালায়। আহত ফারুককে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আহত অবস্থায় ফারুক হাসান বলেন, “আমি রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছি যা সঠিক। কিন্তু ছাত্রদল আমাকে আক্রমণ করেছে। তারা আমার মোবাইল এবং মানিব্যাগও ছিনিয়ে নিয়েছে।”
বিভিন্ন পক্ষের প্রতিক্রিয়া
- গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, “ছাত্রদল নয় বরং হামলা করেছেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের ব্যক্তিরা। আমি শাহবাগ থানায় যাচ্ছি। আগামী দুই ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে।”
- জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্য সচিব হাসান মো. আরিফ দাবি করেন, তারা হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে পারেননি।
পূর্ববর্তী প্রেক্ষাপট
এদিন নাগরিক সমাবেশে জুলাই হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন ইস্যুর বিচার এবং ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বিপ্লবী সরকার গঠনের দাবি তোলা হয়। ফারুক হাসান সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ পান। তার বক্তব্যের জেরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।
হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। শাহবাগ থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলাকারীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।