যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যকার হোয়াইট হাউসে বৈঠকের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সমস্ত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে এবং জর্ডানের আকাশসীমায় অন্তত পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন হুমকি ও আগ্রাসন অব্যাহত থাকা পর্যন্ত এই প্রতিরোধ সংগ্রাম চলবে। বিশ্লেষকদের মতে, আমেরিকা সামরিক বিরতির আড়ালে পরবর্তী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন সন্দেহ থেকেই ইরান মূলত এই আগাম বার্তা দিতে চেয়েছে।
অন্যদিকে, ইরাকে আমেরিকা ও সৌদির যৌথ বিমান হামলায় দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’ (পিএমএফ)-এর অন্তত ২০ জন সদস্য নিহত ও ৩২ জন আহত হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা এবং সৌদি জ্বালানি অবকাঠামোয় আক্রমণের জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে সেন্টকম। একই দিনে হরমুজ প্রণালীতে সতর্কতা উপেক্ষা করার অভিযোগে তিনটি তেলের ট্যাংকার আটকে দিয়েছে আইআরজিসি।
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আবার তীব্র আকার ধারণ করায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি ৮৮ ডলারে পৌঁছেছে।