প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালট, অনলাইন ভোটিং ও প্রক্সি ভোটিং—এই তিনটি পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ (মঙ্গলবার) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা গত ১৬ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত করার কথা বলেন। এর ভিত্তিতে ইসি সংশ্লিষ্ট কমিটিকে তিনটি পদ্ধতির সুপারিশ দিতে বলে।
তিনটি পদ্ধতির বিশ্লেষণ
পোস্টাল ব্যালট – বিদ্যমান পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতিটি অকার্যকর হওয়ায় নতুনভাবে সময়সীমার মধ্যে কার্যকর করা যায় এমন একটি ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হয়েছে।
অনলাইন ভোটিং – যদিও কিছু দেশে এই পদ্ধতি রয়েছে, তবে এটি এখনো জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। ইউএনডিপির পরামর্শ অনুযায়ী, বেশ কয়েকটি দেশ এটি চালু করে পরে বাতিল করেছে।
প্রক্সি ভোটিং – অর্থাৎ প্রবাসী ভোটারের হয়ে দেশে কেউ একজন তাঁর ভোট প্রদান করবে। যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ায় এই পদ্ধতি চালু আছে, ভারতে এটি শুধুমাত্র সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য অনুমোদিত।
আগামী পদক্ষেপ
✅ আগামী ৭-৮ এপ্রিল কর্মশালা আয়োজন করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।
✅ প্রথমে প্রতিটি পদ্ধতির জন্য ‘সিস্টেম আর্কিটেকচার’ তৈরি করা হবে।
✅ এরপর রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে যদি কোনো পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে সেটির উন্নয়ন করা হবে।
✅ প্রয়োজনে আইনে সংশোধনী আনতে হবে।
নির্বাচন কমিশনারের মতে, প্রক্সি ভোটিং একটি বাস্তবসম্মত বিকল্প এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়নের সম্ভাবনা রয়েছে।