চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সদরঘাট থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম হাবিবুর রহমান ছিলেন মাঠের রাজনীতিবিদ, যিনি ভয়ভীতি উপেক্ষা করে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা শেখ হাসিনার আমলে কঠিন সময়ে রাজনীতি — প্রতিটি জায়গায় তিনি সাহসিকতার সঙ্গে ভূমিকা রেখেছেন।
শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে নগরীর পূর্ব মাদারবাড়ী নছু মালুম মসজিদে হাবিবুর রহমানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শাহাদাত বলেন,
“হাবিব ভাই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনে গভীরভাবে আস্থাশীল ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ১৯৭১-এর রণাঙ্গনে তাঁর বীরোচিত ভূমিকা চট্টগ্রামবাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে প্রতিটি আন্দোলনে তিনি সাহসিকতার প্রমাণ দিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “হাবিবুর রহমানদের মেধা, শ্রম, ত্যাগের বিনিময়েই বিএনপি আজ শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগের অবৈধ শাসনামলে তিনি কঠিন সময়ে রাজনীতি করেছেন। আজকের পরিস্থিতিতে হাবিব ভাইয়ের মতো অভিভাবকের খুবই প্রয়োজন ছিল।”
দোয়া মাহফিলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, ২৪ জুলাই বিপ্লবের শহীদ এবং সম্প্রতি বিমান দুর্ঘটনায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। পাশাপাশি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে মহানগর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষক দল ও শ্রমিকদলের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য জয়নাল আবেদিন জিয়া, মো. কামরুল ইসলাম, হাজী মো. সালাউদ্দীন, মো. আলী, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, সদরঘাট থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাউসার হোসেন বাবু, মহানগর মহিলাদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আরজুন্নাহার মান্না, ৩০ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক আজিজুল ইসলাম বাদল, সদস্য সচিব তসলিমুর রহমান, হাজী আমির আহাম্মদ, ২৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক ইলিয়াস মিয়া, মোস্তাক আহমদ, শাহজাহানসহ মরহুমের সন্তান মো. সাঈদুর রহমান ও মো. আসিফুর রহমান।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মুকুল আহাম্মদ, মানিক, জাহেদ, রেজুয়ান আলম, হাসান, বাবুল, নাছির উদ্দীন, জামশেদ হায়দার, মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কমল জ্যোতি বড়ুয়া, সদরঘাট থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক নূর খান, মো. রাশেদ, যুবদল নেতা আবু তালেব লিটন, হাফিজ উদ্দিন সুমন, ইব্রাহিম খলিল, দেলোয়ার হোসেন জুনুক, নাজিম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মো. সাগর, মো. নূরু, ছাত্রদল নেতা রিদুয়ান আলম, কৃষক দল নেতা সুমন, জুয়েল, নোমান, শ্রমিকদল নেতা মো. আক্তারসহ শতাধিক নেতা-কর্মী।