Home » গাজা শহরে ইসরাইলের স্থল আক্রমণ শুরু

গাজা শহরে ইসরাইলের স্থল আক্রমণ শুরু

by খবর ২৪ ঘন্টা
0 comments 87 views
A+A-
Reset
গাজা শহরে ইসরাইলের স্থল আক্রমণ শুরু

ইসরাইল মঙ্গলবার ভোর হওয়ার আগেই গাজা সিটিতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্থল আক্রমণ শুরু করে। সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গাজায় হামাস নির্মূলের লক্ষ্যকে সমর্থন করার পরপরই ইসরাইল এই আক্রমণ শুরু করে।

এদিকে, জাতিসংঘের একটি তদন্তে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ‘গণহত্যা’ চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের উস্কানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

রাতে, ইসরাইলি সেনারা গাজা শহরের বৃহত্তম নগর কেন্দ্রের আরো গভীরে প্রবেশের সাথে সাথে সেনাবাহিনী গাজা শহরের ওপর ব্যাপক বোমাবর্ষণ শুরু করে। একজন সামরিক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘গত রাতে, আমরা পরবর্তী পর্যায়ে প্রবেশ করেছি, গাজা শহরের পরিকল্পনার মূল পর্যায়ে। আমাদের বাহিনী গাজায় হামাসের প্রধান শক্ত ঘাঁটিতে অর্থাৎ গাজা শহরে স্থল তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে’।

তিনি বলেছেন, “আমরা গাজা শহরের কেন্দ্রস্থলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি’। সেনারা গাজা শহরের মধ্যভাগে আরো গভীরে চলে গেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি উত্তর দেন ‘হ্যাঁ’।” তিনি আরো বলেছেন, সেনাবাহিনীর অনুমান, ওই এলাকায় ‘২,০০০-৩,০০০ হামাস’ সদস্য তৎপর ছিল।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেছেন, গাজা শহর ‘আগুনে জ্বলছে’। তিনি বলেছেন, ‘আইডিএফ সন্ত্রাসীদের অবকাঠামোতে কঠোর হস্তক্ষেপ করছে এবং আইডিএফ সৈন্যরা জিম্মিদের মুক্তি এবং হামাসের পরাজয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি তৈরি করতে সাহসের সাথে লড়াই করছে’।

প্রত্যক্ষদর্শীরা এএফপি’কে গাজা শহরের ওপর অবিরাম বোমাবর্ষণের কথা জানিয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর থেকে যুদ্ধের সূত্রপাত করেছিল প্রায় দুই বছর ধরে ইসরাইলি হামলার পর যার বেশিরভাগই ইতোমধ্যেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

২৫ বছর বয়সী বাসিন্দা আহমেদ গজল বলেছেন, ‘আমরা তাদের চিৎকার শুনতে পাচ্ছি’।

সোমবার নেতানিয়াহুর সাথে দেখা করার সময় রুবিও আক্রমণের প্রতি জোরালো সমর্থনের প্রস্তাব দেন। নেতানিয়াহু ইসরাইলি সেনাবাহিনীকে গাজা শহর দখলের নির্দেশ দিয়েছেন। ইসরাইল ত্যাগ করার সময় রুবিও সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা মনে করি আমাদের হাতে খুব কম সময় আছে যার মধ্যে একটি চুক্তি হতে পারে। আমাদের আর মাস নেই এবং সম্ভবত আমাদের কাছে দিন এবং সম্ভবত কয়েক সপ্তাহ বাকি আছে।’

রুবিও বলেছেন, হামাসকে সামরিক নিরস্ত্রীকরণের একটি কূটনৈতিক সমাধানই যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দ, যদিও তিনি আরও বলেন, ‘কখনো কখনো যখন আপনি হামাসের মতো বর্বরদের সাথে মোকাবিলা করেন, তখন তা সম্ভব হয় না, তবে আমরা আশা করি এটি ঘটবে।’

সোমবার জেরুজালেমে গাজায় জিম্মিদের পরিবারের সাথে দেখা করে রুবিও স্বীকার করেছেন, হামাস তাদের আটকে রেখে প্রভাব বিস্তার করেছে। তিনি তেল আবিবের বেন গুরিওন বিমানবন্দরে বলেছেন, ‘যদি কোনো জিম্মি না থাকত এবং কোনো বেসামরিক নাগরিক না থাকত, তাহলে এই যুদ্ধ দেড় বছর আগেই শেষ হয়ে যেত’।

জিম্মিদের পরিবারের প্রতিনিধিত্বকারী একটি দল বলেছেন, নেতানিয়াহু হামলার নির্দেশ দেওয়ার পর তারা তাদের প্রিয়জনদের জন্য ‘ভয় পেয়েছিলেন’।

তারা এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘কোনো চুক্তি না হওয়া এবং তাদের ফিরিয়ে না আনার জন্য তিনি সবকিছু করছেন’।

You may also like

Leave a Comment

সম্পাদক: দাঊদ আরমান

অফিস: গুলজার টাওয়ার (২য় তলা), চট্টেশ্বরী রোড, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ

ইমেইল: khobor24ghontabangla@gmail.com

Latest Articles

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
©
খবর ২৪ ঘণ্টা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (২০২৪ – ২০২৬)
Registration No.: 391/2025-26

Developed BY  Netfie.com