নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখার প্রত্যয় নিয়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট – চট্টগ্রাম মহানগর এর নেতৃবৃন্দ। আজ (৮ এপ্রিল, ২০২৬) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসককে শুভেচ্ছা জানান এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বর্তমান প্রেক্ষাপট ও সমসাময়িক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে চট্টগ্রামে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার স্বার্থে প্রশাসনের ভূমিকা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট – চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব বাপ্পি দে। এছাড়াও পটিয়ার হাইদ্গাও এর শ্রী শ্রী চন্ডী মাতৃমন্দির ও সপ্তপ্সতী গুরুধাম এর অধ্যক্ষ চন্ডীপুত্র শ্রীমৎ স্বামী বাবলানন্দ মহারাজ, ঐতিহ্যবাহী মনোহরখালীর অধ্যক্ষ সঞ্জয় বৈষ্ণব, মহানগরের সদস্য সুব্রত আইচ, কোতোয়ালী থানা বিএনপির নেতা বাবলু চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র সংস্কৃতি কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর পন্ডিত লিটন আচার্য, লোকনাথ মন্দিরের সেবায়েত শিখা দাস, শ্রী শ্রী শালগ্রাম শিলা চক্র মন্দিরের পুরোহিত ধীমান ভট্টাচার্য, পাহাড়তলী থানা কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক পলাশ দাশ সদস্য সচিব প্রভাষ দাশ, পাঁচলাইশ থানা কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক রুবেল পাল, চকবাজার থানা কল্যাণ ফ্রন্টের নেত্রী অর্পিতা ধর, জয় চক্রবর্তী, সচেতন সনাতনী নাগরিক সমাজ – চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি টিংকু বিশ্বাস, সদরঘাট থানা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অনুরুপ দে এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এই সময় উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনাকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা নেতৃবৃন্দের কথা গুরুত্ব সহকারে শোনেন এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ এবং এই ধারা অব্যাহত রাখতে সকল ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের এই ইতিবাচক মনোভাবের প্রশংসা করেন এবং সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ চট্টগ্রাম গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।