বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য ৭ জানুয়ারি রাতে লন্ডন যাচ্ছেন। তাঁকে বহন করার জন্য কাতারের আমির পাঠিয়েছেন অত্যাধুনিক একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। এই বিশেষ উড়োজাহাজটি শুধু একটি পরিবহন নয়; বরং এটি কার্যত একটি উড়ন্ত হাসপাতাল।
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের বিশেষ বৈশিষ্ট্য
১. চিকিৎসা সুবিধা
- ভেন্টিলেটর: শ্বাসপ্রশ্বাসে সহায়তা করার জন্য।
- ডিফিব্রিলেটর: হৃদস্পন্দনের সমস্যা সমাধানে কার্যকর।
- মনিটর এবং ইনফিউশন পাম্প: রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত।
- পূর্ণ আইসিইউ সুবিধা: রোগীর অবস্থা অবনতি হলে তা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে।
২. চিকিৎসক ও নার্স
এতে সার্বক্ষণিক অভিজ্ঞ চিকিৎসক এবং নার্স রয়েছেন, যারা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সেবা দিতে প্রস্তুত।
৩. আরামদায়ক পরিবেশ
রোগীর শারীরিক ও মানসিক স্বস্তি নিশ্চিত করার জন্য উড়োজাহাজটি বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে। রোগীর পরিবারের সদস্যদের জন্যও রয়েছে আলাদা কক্ষ।
৪. দীর্ঘ যাত্রায় উপযোগী
এটি একটানা প্রায় ১১ হাজার ২৬৫ কিলোমিটার উড়তে সক্ষম। কোনো ট্রানজিট ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, আফ্রিকা কিংবা এশিয়ার বিভিন্ন শহরে সরাসরি যাতায়াত করতে পারে।
এয়ারবাস এসিজে ৩১৯: বিলাসিতার শীর্ষে
এয়ারবাস করপোরেট জেটস (এসি জে) মডেলের এই উড়োজাহাজটি ফ্রান্সের এয়ারবাস কোম্পানির তৈরি। এর দুটি সংস্করণ রয়েছে:
- ভিআইপি মডেল
- এয়ার অ্যাম্বুলেন্স মডেল
কাতার এক্সিকিউটিভ এই মডেলটির মালিক, যা কাতারের ভিআইপি এবং জরুরি সেবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
খালেদা জিয়ার যাত্রাপথ
- ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু হবে মঙ্গলবার রাত ১০টায়।
- কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছাবে স্থানীয় সময় রাত দেড়টায়।
- সেখান থেকে বিশেষ এই উড়োজাহাজে লন্ডনের হাসপাতালে ভর্তি করা হবে তাঁকে।
তথ্যসূত্র: ঢাকায় কাতার দূতাবাস