তুর্কি অভিনেত্রী ও মডেল হান্দে এর্চেল (জন্ম: ২৪ নভেম্বর ১৯৯৩) বর্তমানে আন্তর্জাতিকভাবে অন্যতম পরিচিত মুখ, বিশেষত ধারাবাহিক নাটকপ্রেমীদের কাছে। ছোট পর্দায় তার জনপ্রিয়তার সূচনা হয় তুর্কি নাটক “আশক লাফতান আনলামাজ”-এ হায়াৎ উযুন চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। এরপর “সেন কাল কাপিমি” (You Knock on My Door) এবং সাম্প্রতিক সময়ের “বামবাশকা বিরি” তে তার অভিনয় তাঁকে আরো জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেয়।

চোখ ধাঁধানো ক্যারিয়ারের শুরুটা অবশ্য হয়েছিল মডেলিং দিয়ে। ২০১২ সালে Miss Civilization of the World প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আজারবাইজানে রানার-আপ হন তিনি। এরপর নাটকে কালিকুসু ধারাবাহিকে “জাহিদি” চরিত্রে প্রথম দেখা যায় তাঁকে। হান্দে বেড়ে উঠেছেন তার দাদা-দাদী অ্যান্ট রোজি ও আহমেদ বে এর সাথে। যদিও তার বাবার ইচ্ছা ছিল তিনি ডাক্তার হবেন, হান্দে নিজের পথ গড়েছেন অভিনয় ও গ্ল্যামার দুনিয়ায়।

সামাজিক মাধ্যমে হান্দে এর্চেলের জনপ্রিয়তা ঈর্ষণীয়। ২০ মিলিয়নের বেশি ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার-সহ তিনি তুরস্কের সবচেয়ে অনুসৃত অভিনেত্রী। নিয়মিত ইনস্টাগ্রাম পোস্টে নিজের স্টাইল, ব্যক্তিজীবনের মুহূর্ত ও ভ্রমণের ছবি ভাগ করে নেন তিনি। হান্দে কাজ করেছেন আন্তর্জাতিক বিউটি ব্র্যান্ড L’Oréal Paris এবং ফ্যাশন ব্র্যান্ড DeFacto-এর সাথেও।

ব্যক্তিগত জীবনে, হান্দে তুর্কি গায়ক মুরাত দালকিলিচ-এর সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন এবং ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাদের বাগদান হয়। যদিও জুনেই সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং তারা একে অপরের ইনস্টাগ্রাম ছবি মুছে ফেলেন।

পরবর্তীতে কেরেম বুরসিন-এর সঙ্গে “সেন কাল কাপিমি” ধারাবাহিকে একসাথে কাজ করতে গিয়ে বাস্তব জীবনেও সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা মালদ্বীপ ভ্রমণে তারা প্রকাশ্যে আনেন।

ফ্যাশন হান্দের আরেকটি পরিচিত দিক। সুনিপুণভাবে নির্বাচন করা পোশাক, সমন্বিত কো-অর্ডস বা ক্লাসিক স্যুট—সব কিছুতেই তিনি যেন অনবদ্য। হান্দের স্টাইল অনেক তরুণীর জন্য অনুপ্রেরণা, বিশেষ করে যারা আধুনিক ও এলিগেন্ট ট্রেন্ড ফলো করেন। ইয়ট ভ্রমণ থেকে শুরু করে ছুটি কাটানো—সবখানেই তার সাজগোজ হয়ে ওঠে ফ্যাশন স্টেটমেন্ট।