গণতন্ত্রের বাইরে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাজনীতিবিদরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। তাই আগামী দিনের রাজনীতি সঠিক পথে পরিচালনা করতে হবে।
বিজয় র্যালি ও সমাবেশ
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির বিজয় র্যালি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আমীর খসরু।
তিনি আরও বলেন,
“সংস্কারের জন্য আমরা ৩১ দফা প্রস্তাব দিয়েছি। বিএনপিসহ প্রায় ৫০টি দল এই সংস্কারের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছে। আমরা প্রতিজ্ঞা করেছি যে এই সংস্কারগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করব। যদি কোনও সহযোগিতার প্রয়োজন হয়, আমরা তা করতে প্রস্তুত।”
শহীদ জিয়াউর রহমানের ভূমিকা
সমাবেশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন,
“বিপ্লব উদ্যান থেকেই জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। তিনি প্রথম মুক্তিযোদ্ধা এবং এই চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। আজকের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধের প্রেরণা চট্টগ্রাম থেকেই শুরু হয়েছে।”
সংস্কার ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা
আমীর খসরু বলেন,
“শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম সংস্কারক। তিনি একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন। তাঁর আরেকটি বড় অবদান হলো মুক্ত বাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ শ্রমিক, কিশোর, ব্যবসায়ী এবং পেশাজীবীদের সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন,
“গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ এবং বিদেশে শ্রমশক্তি প্রেরণ করে রেমিট্যান্স অর্জন, যা বর্তমানে দেশের অর্থনীতির দুইটি প্রধান খাত, সেগুলো জিয়াউর রহমানের নীতিগত সংস্কারের ফসল। তাঁর এসব সংস্কার দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিত্তি দিয়েছে।”
বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন
তিনি বলেন,
“স্বৈরাচারের পতনের পর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। আজকের অর্থনৈতিক ভিত্তি বিএনপির উদ্যোগে প্রণীত অর্থনৈতিক সংস্কারের ফল।”