চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচনের আমেজে হাসপাতাল চত্বর উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে।
নির্বাচন আয়োজনের বিবরণ
নির্বাচনে ৯,৭৪৪ সাধারণ ভোটার এবং ৩৯৪ ডোনার ভোটার রয়েছেন। এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন দুটি প্যানেল— সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন-রেজাউল করিম আজাদ এবং ডা. কামরুন নেছা রুনা-ডা. এম মাহফুজুর রহমান প্যানেল।
প্যানেলের বাইরে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত ২৪টি পদের মধ্যে ৩টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।
ভোটগ্রহণ ব্যবস্থা
ভোট গ্রহণের জন্য হাসপাতালের পুরনো ভবন ও মহিলা হোস্টেল ভবনে ৩৩টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে দায়িত্ব পালন করছেন একজন প্রিসাইডিং অফিসার, একজন পুলিং অফিসার এবং একজন কেন্দ্র সহায়ক।
নির্বাচন কমিশনার ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ শাহজাহান গণমাধ্যমকে বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করি সবার সহযোগিতায় সুন্দর একটি নির্বাচন উপহার দিতে পারব।”
হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা
চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল বর্তমানে ৯৫০ শয্যা নিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে ৮৫০ রোগী ভর্তি নিচ্ছে এবং বহির্বিভাগে ২,০০০ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।
১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালটি বর্তমানে ১০টি বিশেষ প্রতিষ্ঠান, ২১টি অন্তর্বিভাগ এবং ৩০টি বহির্বিভাগ পরিচালনা করছে।