কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করেছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুয়েতের মিসিলা এলাকায় অবস্থিত দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিত করার মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।
রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের নেতৃত্বে দূতাবাসের অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
সাংস্কৃতিক ও আলোচনাসভা
দূতাবাসের কাউন্সিলর মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এছাড়াও ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরতে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য
রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ ও বাঙালি জাতির ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন,
“১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল আমাদের জাতীয় চেতনার ভিত্তি। এ আন্দোলন আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। প্রবাসে থেকেও আমরা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই।”
এই আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা, শিক্ষার্থীরা এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।