বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শামশুল আলম বলেছেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন এক মহামানব, দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক, যিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন”।
আজ (শুক্রবার) বাদে জুমা, চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানাধীন ১৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শামশুল আলম বলেন,
“১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শহীদ জিয়া জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেন। তিনি শুধু সেনানায়ক ছিলেন না, বরং একজন সৎ, কর্মঠ, দূরদর্শী এবং নির্ভীক রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেন।”
তিনি আরও বলেন, “স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। তার শাসনামলে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি বিপ্লব, অবকাঠামো উন্নয়ন ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির চেতনা দেশের উন্নয়নে নতুন মাত্রা এনেছে। আজও তার সেই অবদানের সুফল ভোগ করছে বাংলাদেশের মানুষ।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইয়াকিব চৌধুরী নাজিম এবং পরিচালনা করেন হাজী মোঃ ইউনুস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর এয়াছিন চৌধুরী আসু, এস এম সেলিম, এবিএম ফরিদুল আলম, ইউনুস চৌধুরী নাফিস, মামুনুর রশীদ, নজরুল্লাহ খান, আজাদ খান, সেকান্দর আলম, শাহাজান স্বপন, নুরুল আলম কালু, আব্দুল মন্নান, মোঃ হানিফ, আলাউদ্দিন আলো, যুবদল নেতা নূরউদ্দিন, শাহ আলমসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে আলহাজ্ব মাওলানা মোশাররফ হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মোনাজাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তার পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। সেই সঙ্গে জিয়া পরিবারের সদস্য ও দেশবাসীর শান্তি ও কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করা হয়।