বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শামশুল আলম বলেছেন, “আজ আমরা এক গৌরবময় অথচ বেদনার দিনে একত্রিত হয়েছি। ৪৪ বছর আগে আমরা হারিয়েছিলাম একজন মহান মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতার ঘোষক, দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে।”
তিনি আজ (শনিবার) বাদে যোহর চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়া থানাধীন ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গরীব-অসহায়, দুস্থ ও এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
শামশুল আলম বলেন,
“১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মেজর জিয়া ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা’ দিয়ে জাতিকে সাহসের নতুন দিগন্তে নিয়ে যান। তিনি কেবল একজন সেনানায়ক ছিলেন না; তিনি হয়ে উঠেছিলেন জাতির আশা, আত্মমর্যাদার প্রতীক এবং ভবিষ্যতের রূপকার।”
তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমানের কাছে দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয়তাবাদ, এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছিল সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘আত্মবিশ্বাসই হচ্ছে জাতি গঠনের প্রথম শর্ত।’ তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষ নতুন সম্ভাবনার পথে যাত্রা করেছিল। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ নামক নতুন রাজনৈতিক দর্শনের প্রবক্তা ছিলেন, যা দেশের মানুষকে নিজের শেকড়ের সন্ধান দিয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন, “১৯৮১ সালের ৩০ মে গভীর রাতে কুচক্রী মহল তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে। আজ আমরা তাঁকে হারানোর ৪৪ বছর পরেও তার অভাব গভীরভাবে অনুভব করি।”
আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে শামশুল আলম বলেন, “বাকলিয়ার জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার ১৯ দফা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে একটি বৈষম্যহীন কল্যাণরাষ্ট্র নির্মাণে ভূমিকা রাখবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমরান উদ্দিন, সাবেক সভাপতি মোঃ সেকান্দার, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন, বিএনপি নেতা লিটন, জমির উদ্দিন বাবলু, রাজা মিয়া, মহিউদ্দিন মিজানসহ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।