জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব পদ থেকে সালাউদ্দিন তানভীরকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক নিয়োগ ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এর বই ছাপার কাজে ‘কমিশন বাণিজ্য’ ও ‘অবৈধ হস্তক্ষেপ’-এর অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তানভীরকে পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, গত ১১ মার্চ দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক নিয়োগে অবৈধ হস্তক্ষেপ এবং এনসিটিবি’র পাঠ্যবই ছাপার কাগজে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, তার কারণ দর্শানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে এনসিপি নোটিসে আরও বলা হয়—
-
পূর্বে দেওয়া মৌখিক সতর্কতা উপেক্ষা করায়
-
সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে
-
শৃঙ্খলা কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত
তানভীরকে দলের যাবতীয় দায়িত্ব ও কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় সালাউদ্দিন তানভীর বলেন, “এ ধরনের নোটিস পেয়েছি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকে আমি স্বাগত জানাচ্ছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযোগের জবাব প্রদান করব।”

এনসিপির তৃতীয় সাধারণ সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে গঠিত শৃঙ্খলা কমিটির অনুমোদনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গঠিত শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান করা হয়েছে আব্দুল্লাহ আল-আমিনকে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন তাজনূভা জাবীন, অর্পিতা শ্যামা দেব, জহিরুল ইসলাম মুসা, মীর আরশাদুল হক, ফারহাদ আলম ভুঁইয়া, আলী নাছের খান, আকরাম হোসেন (রাজ), আরমান হোসাইন, মো. আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, সানাউল্লাহ খান এবং সাইয়েদ জামিল।