ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মহাসচিব শায়খুল ইসলাম অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর বলেছেন, ছাত্ররাই দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার এবং দেশের চালিকাশক্তি। জাতীয় জীবনের প্রতিটি সাফল্যের সঙ্গে ছাত্রদের অমূল্য আত্মত্যাগের গল্প জড়িয়ে আছে। তবে স্বাধীনতার পরে ছাত্ররা নির্দিষ্ট মহলের ক্রীড়নকে পরিণত হয়ে সন্ত্রাস, অস্ত্রবাজি, এবং অন্যান্য অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েছে।
ইসলামী ছাত্রসেনার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
২১ জানুয়ারি ২০২৫ (মঙ্গলবার), বিকাল ২টায় চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে ইসলামী ছাত্রসেনার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর শাখা বিশাল ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করে।
বক্তাদের বক্তব্য
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মহাসচিব শায়খুল ইসলাম অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর। তিনি বলেন, “ছাত্র সমাজের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে ইসলামী ছাত্রসেনা নিরলসভাবে কাজ করছে।” তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার বাস্তবায়ন এবং কালুরঘাট সেতুর পুনর্নির্মাণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
ইসলামী ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সভাপতি ছাত্রনেতা ওলিউর রহমান বলেন, “সুস্থধারার ছাত্র রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে ইসলামী ছাত্রসেনা নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যাচ্ছে।” ছাত্র সমাজকে আদর্শিক রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ছাত্রনেতা রাশেদুল ইসলাম রাসেল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মহাসচিব শায়খুল ইসলাম অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর ভইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আল্লামা এস এম ফরিদ উদ্দীন, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এম ইব্রাহীম আখতারী, আল্লামা সালেহ আহমদ আনসারী, ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ রফিক কোম্পানি, যুগ্ম মহাসচিব স, ম হামেদ হোসাইন। বক্তব্য রাখেন — এইচ এম মুজিবুল হক শাকুর, স ম শহিদুল হক ফারুকী, মাওলানা জাকের আহমদ সিদ্দিকী, অধ্যাপক ছৈয়দ হাফেজ আহমদ, ছৈয়দ মাওলানা রফিকুল ইসলাম তাহেরী, মাওলানা মমতাজ উদ্দীন হোসাইনী, অধ্যক্ষ ছৈয়দ মাওলানা আবু সালেহ, এস এম আবদুল করিম তারেক, মাওলানা জয়নাল আবেদীন জিহাদী, স ম শওকত আজিজ। বিশেষ বক্তা ছিলেন —ইসলামী ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— হাজী মোহাম্মদ আলম রাজু, মাস্টার আনোয়ারুল আজিম, মাওলানা এ এম মঈনউদ্দীন চৌধুরী হালিম, ডাঃ হাসমত আলী তাহেরী, এম কফিল উদ্দীন রানা, মাওলানা কাজী মফিজুর রহমান, কাজী আহসানুল আলম, এস এম আবু সাদেক ছিটু, এম আহমদ রেজা, মোহাম্মদ ইউসুফ কবির, আবদুল্লাহ আল মুমিন, মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ ফোরকান আলম, মাসরুর রহমান প্রমূখ।