চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ইপিজেড থানার বিশেষ অভিযানে একটি চোরাই মোটরসাইকেল, একটি নম্বরপ্লেটবিহীন চোরাই সিএনজি এবং চোরচক্রের ৪ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আখতারউজ্জামান।
ঘটনার বিবরণ
গত ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শেয়ার রাইডার মো. মোমিন উদ্দিন (৪৩) চৌধুরী মার্কেটের সামনে নিজের বাজাজ প্লাটিনা ১০২ সিসি মোটরসাইকেলটি রেখে নাশতা করতে যান। নাশতা শেষে তিনি মোটরসাইকেলের চাবি হারিয়ে ফেলেন। এ সময় ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি চাবি ছাড়া বাইক স্টার্ট দেওয়ার প্রস্তাব দেন এবং টেস্টার আনতে বলেন। টেস্টার আনতে গিয়ে মোমিন উদ্দিন ফিরে এসে দেখেন তার মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে গেছে।
ঘটনার প্রেক্ষিতে ইপিজেড থানায় একটি মামলা রুজু হয়। মামলা তদন্তে নেমে ইপিজেড থানার টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিউমুরিং এলাকায় অভিযান চালায়।
অভিযান ও উদ্ধার
১১ ডিসেম্বর রাত ১২:৩০টায় চুরির সঙ্গে জড়িত তিনজন—জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ জামশেদ এবং ফয়সাল উদ্দিন—কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১২:৪৫টায় বাদীর চুরি হওয়া বাজাজ প্লাটিনা মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া তাদের হেফাজত থেকে একটি চোরাই সিএনজির ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, সিএনজিটি ৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে চুরি করা হয়।
রাত ১:৩০টায় তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চোরচক্রের অপর সদস্য জামশেদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর রাত ২:৫৫টায় ডবলমুরিং থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নম্বরপ্লেটবিহীন চোরাই সিএনজিটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের মন্তব্য
বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার কবির আহম্মেদের সার্বিক নির্দেশনা এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহমুদুল হাসানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই অভিযানে চুরির ঘটনায় জড়িত চক্রটি চিহ্নিত এবং গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় চোরচক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।